উত্তর করিমগঞ্জের নদী ভাঙন: বিধানসভায় বিধায়কের জোরালো প্রশ্ন ও সরকারের পদক্ষেপ।
তিনি মূলত যে এলাকাগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে:
- মাইজগ্রাম ২ নং ওয়ার্ডের লঙ্গাই নদী সংলগ্ন চরবাজার এলাকা।
- কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী ভাঙ্গা এলাকার লাল বাবা আশ্রম, টুকরগ্রাম, মোড়লপাড়া, উমরপুর, বুন্দাশীল, খাদিমান ও মাদারপুর।
- বরাক নদীর তীরবর্তী উত্তর করিমগঞ্জ সমষ্টির অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল।
বিধায়ক জাকারিয়া আহমদ পান্না মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট মূলত তিনটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে জানতে চেয়েছেন:
- ১. সরকার এই এলাকাগুলোর ক্রমবর্ধমান ভাঙন সম্পর্কে অবগত আছে কি না?
- ২. ভাঙন রোধে এখন পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং চলমান বা প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর বর্তমান অবস্থা কী?
- ৩. এই প্রকল্পগুলোর জন্য মোট কত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে ভাঙন রোধে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কী?
বিধায়কের উত্থাপিত এই প্রশ্নগুলোর প্রেক্ষিতে জল সম্পদ মন্ত্রী বিস্তারিত উত্তর প্রদান করেন। সরকার সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভাঙন রোধে কী কী পরিকল্পনা নিয়েছে এবং প্রকল্পের কাজের বর্তমান অগ্রগতি বা বরাদ্দের পরিমাণ কত—সে সম্পর্কে বিধায়ককে অবহিত করা হয়। শুধু তাই নয়, জনগণের এই দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলো খুব দ্রুত কার্যকর করার আশ্বাসও প্রদান করা হয়েছে।
আমরা আশা করি, বিধায়ক জাকারিয়া আহমদ পান্নার এই উদ্যোগ এবং সরকারের এই আশ্বাসের ফলে খুব শীঘ্রই উত্তর করিমগঞ্জের নদী ভাঙন কবলিত মানুষগুলো এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাবেন এবং তাদের বসতবাড়ি ও কৃষিজমি সুরক্ষিত থাকবে।
আপনার এলাকার যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজের আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
সূত্র: প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী



No comments: